ইকোনমিস্টের প্রতিবেদন : একটি বিভক্ত জাতি, ৪২ বছরের মধ্যে ভয়াবহ রাজনৈতিক সহিংসতা
ডেস্ক রিপোর্ট
| « আগের সংবাদ |
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালকে ‘ত্রুটিপূর্ণ’ বলে মন্তব্য করে বিশ্বখ্যাত ব্রিটিশ সাময়িকী ইকোনমিস্ট বলেছে, যুদ্ধাপরাধের বিচার নিয়ে জাতি বিভক্ত হয়ে পড়েছে। ট্রাইব্যুনাল পুরনো ক্ষতকে উন্মুক্ত করে দিয়ে বাংলাদেশের ভবিষ্যেক হুমকির মুখে ফেলেছে।
মাওলানা সাঈদীর রায়ের পর তিনদিনে শতাধিক লোকের মৃত্যুর কথা উল্লেখ করে ইকোনমিস্ট বলেছে, যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল বাংলাদেশের ৪২ বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ রাজনৈতিক সহিংসতাকে উসকে দিয়েছে।
ইকোনমিস্টের ৯ মার্চ সংখ্যার প্রিন্ট সংস্করণে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে একথা বলা হয়েছে। গতরাতে অনলাইন সংস্করণে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়েছে।
‘আনরেস্ট ইন বাংলাদেশ : এ ন্যাশন ডিভাইডেড’ শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ সৃষ্টি সময় যে ভয়াবহতা সঙ্গী হয়েছিল, যুদ্ধাপরাধের বিচার তা নিরসন করবে বলে আশা করা হয়েছিল। কিন্তু আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল বাংলাদেশের ৪২ বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ রাজনৈতিক সহিংসতাকে উসকে দিয়েছে।
বাংলাদেশের মানবাধিকার সংগঠন অধিকারের মতে, ৫ থেকে ৭ মার্চের মধ্যে (তিন দিনে) ১০০ এর বেশি লোক নিহত হয়েছে। সহিংতা নিয়ন্ত্রণের অজুহাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এ হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে। মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ফাঁসির রায় হওয়ার পর ২৮ ফেব্রুয়ারি একদিনেই অন্তত ৬৭ জন নিহত হয়েছে।
ইকোনমিস্ট বলেছে, এই সংহিসতা জামায়াতের বিরুদ্ধে প্রতিহিংসা হিসেবে দেখা হচ্ছে। দেশের ভঙ্গুর বিচারব্যবস্থার কারণেই এটা হয়েছে। আরও সাতটি রায় অপেক্ষমাণ। কয়েক মাসের মধ্যেই বেশিরভাগ রায় হবে। এরপর রায়ের তালিকায় আছেন গোলাম আযম। সরকার পক্ষের আইনজীবীরা তাকে হিটলারের সঙ্গে তুলনা করে তার ফাঁসি চেয়েছে। স্বাধীনতা দিবসে ২৬ মার্চ তার রায় হতে পারে। ব্যাপকভাবে ধারণা করা হচ্ছে যে অভিযুক্তদের অপরাধী হিসেবে ঘোষণা করা হবে। ফলে চলতি বছরের মধ্যেই জামায়াতের পুরো নেতৃত্বকে ফাঁসিতে ঝোলানো হতে পারে। প্রধান বিরোধী দল বিএনপির দুই নেতারও একই পরিণতি হতে পারে।
ইকোনমিস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, খালেদা জিয়া এ হত্যাযজ্ঞকে গণহত্যা বলে অভিহিত করেছেন। দৃশ্যত নিহতদের প্রতি সম্মান দেখিয়ে তিনি ঢাকা সফররত ভারতের রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জির সঙ্গে সাক্ষাত্ বাতিল করেছেন।
শাহবাগিদের আন্দোলন সম্পর্কে ইকোনমিস্ট বলছে, শাহবাগে শত শত লোক শান্তিপূর্ণভাবে মিলিত হয়েছিল। কিন্তু এখন তা রাজনৈতিক যুদ্ধে পরিণত হয়েছে। শুরুতে তারা যুদ্ধাপরাধের বিচারের জবাবদিহিতা চাইলেও এরপর জামায়াতে ইসলামীকে এবং তাদের প্রভাবশালী ব্যাংক, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানকেও নিষিদ্ধ করার দাবি ওঠে। এরপর থেকেই তাদের প্রতি জনসমর্থন উবে যেতে শুরু করে। এখন বিএনপি ও তার মিত্ররা বলছেন, শাহবাগিদের আন্দোলন হলো ইসলাম বনাম ইসলামবিরোধী শক্তির মধ্যকার লড়াই।
প্রতিবেদনে বলা হয়, যুদ্ধাপরাধের বিচার নিয়ে আমেরিকা, সৌদি আরব ও চীন মাথা না ঘামালেও এতে সমর্থন দিচ্ছে ভারত। বিদেশিরা এখন বিশ্বাস করেন, ট্রাইব্যুনালে যে ত্রুটি রয়েছে তার ফলে এখানে ন্যায়বিচার হচ্ছে না। কিন্তু বাংলাদেশের বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে কথা বললে তারা আদালত অবমাননার মুখোমুখি হতে পারেন।
মাওলানা সাঈদীর রায়ের পর তিনদিনে শতাধিক লোকের মৃত্যুর কথা উল্লেখ করে ইকোনমিস্ট বলেছে, যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল বাংলাদেশের ৪২ বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ রাজনৈতিক সহিংসতাকে উসকে দিয়েছে।
ইকোনমিস্টের ৯ মার্চ সংখ্যার প্রিন্ট সংস্করণে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে একথা বলা হয়েছে। গতরাতে অনলাইন সংস্করণে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়েছে।
‘আনরেস্ট ইন বাংলাদেশ : এ ন্যাশন ডিভাইডেড’ শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ সৃষ্টি সময় যে ভয়াবহতা সঙ্গী হয়েছিল, যুদ্ধাপরাধের বিচার তা নিরসন করবে বলে আশা করা হয়েছিল। কিন্তু আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল বাংলাদেশের ৪২ বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ রাজনৈতিক সহিংসতাকে উসকে দিয়েছে।
বাংলাদেশের মানবাধিকার সংগঠন অধিকারের মতে, ৫ থেকে ৭ মার্চের মধ্যে (তিন দিনে) ১০০ এর বেশি লোক নিহত হয়েছে। সহিংতা নিয়ন্ত্রণের অজুহাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এ হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে। মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ফাঁসির রায় হওয়ার পর ২৮ ফেব্রুয়ারি একদিনেই অন্তত ৬৭ জন নিহত হয়েছে।
ইকোনমিস্ট বলেছে, এই সংহিসতা জামায়াতের বিরুদ্ধে প্রতিহিংসা হিসেবে দেখা হচ্ছে। দেশের ভঙ্গুর বিচারব্যবস্থার কারণেই এটা হয়েছে। আরও সাতটি রায় অপেক্ষমাণ। কয়েক মাসের মধ্যেই বেশিরভাগ রায় হবে। এরপর রায়ের তালিকায় আছেন গোলাম আযম। সরকার পক্ষের আইনজীবীরা তাকে হিটলারের সঙ্গে তুলনা করে তার ফাঁসি চেয়েছে। স্বাধীনতা দিবসে ২৬ মার্চ তার রায় হতে পারে। ব্যাপকভাবে ধারণা করা হচ্ছে যে অভিযুক্তদের অপরাধী হিসেবে ঘোষণা করা হবে। ফলে চলতি বছরের মধ্যেই জামায়াতের পুরো নেতৃত্বকে ফাঁসিতে ঝোলানো হতে পারে। প্রধান বিরোধী দল বিএনপির দুই নেতারও একই পরিণতি হতে পারে।
ইকোনমিস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, খালেদা জিয়া এ হত্যাযজ্ঞকে গণহত্যা বলে অভিহিত করেছেন। দৃশ্যত নিহতদের প্রতি সম্মান দেখিয়ে তিনি ঢাকা সফররত ভারতের রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জির সঙ্গে সাক্ষাত্ বাতিল করেছেন।
শাহবাগিদের আন্দোলন সম্পর্কে ইকোনমিস্ট বলছে, শাহবাগে শত শত লোক শান্তিপূর্ণভাবে মিলিত হয়েছিল। কিন্তু এখন তা রাজনৈতিক যুদ্ধে পরিণত হয়েছে। শুরুতে তারা যুদ্ধাপরাধের বিচারের জবাবদিহিতা চাইলেও এরপর জামায়াতে ইসলামীকে এবং তাদের প্রভাবশালী ব্যাংক, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানকেও নিষিদ্ধ করার দাবি ওঠে। এরপর থেকেই তাদের প্রতি জনসমর্থন উবে যেতে শুরু করে। এখন বিএনপি ও তার মিত্ররা বলছেন, শাহবাগিদের আন্দোলন হলো ইসলাম বনাম ইসলামবিরোধী শক্তির মধ্যকার লড়াই।
প্রতিবেদনে বলা হয়, যুদ্ধাপরাধের বিচার নিয়ে আমেরিকা, সৌদি আরব ও চীন মাথা না ঘামালেও এতে সমর্থন দিচ্ছে ভারত। বিদেশিরা এখন বিশ্বাস করেন, ট্রাইব্যুনালে যে ত্রুটি রয়েছে তার ফলে এখানে ন্যায়বিচার হচ্ছে না। কিন্তু বাংলাদেশের বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে কথা বললে তারা আদালত অবমাননার মুখোমুখি হতে পারেন।
-
প্রথম পাতা

সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া











