মুজাহিদের বিরুদ্ধে ১৪তম সাক্ষ্য : গোলাম আযম ও কামারুজ্জামানের বিচার রোববার পর্যন্ত মুলতবি
স্টাফ রিপোর্টার
| « আগের সংবাদ | পরের সংবাদ» |
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় অভিযুক্ত জামায়াত নেতা আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের ১৪তম সাক্ষী বাংলা একাডেমীর সহকারী গ্রন্থাগারিক এজাবউদ্দিনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। সাক্ষীকে জেরার জন্য আগামী রোববার দিন ধার্য করেছে ট্রাইব্যুনাল। চেয়ারম্যান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে তিন সদস্যের দ্বিতীয় ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। প্রসিকিউশনের জব্দ তালিকার এ সাক্ষী গতকাল তার সাক্ষ্য প্রদানকালে ১৯৭১ সালে প্রকাশিত বিভিন্ন পত্রিকার ৫১টি কাটিং ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপন করেন। এর আগে মুজাহিদকে কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে
হাজির করা হয়।
জামায়াত নেতা মুজাহিদের বিরুদ্ধে এর আগে রাষ্ট্রপক্ষের ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। আসামি পক্ষের আইনজীবীরা তাদের জেরা শেষ করেছেন। একই ট্রাইব্যুনালে জামায়াতের আরেক নেতা মোহাম্মদ কামারুজ্জামানের পক্ষে গতকাল সিনিয়র কোনো আইনজীবী উপস্থিত না থাকায় পূর্বনির্ধারিত সাফাই সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ আগামী রোববার পর্যন্ত মুলতবি করা হয়েছে।
এদিকে চেয়ারম্যান বিচারপতি এটিএম ফজলে কবীরের নেতৃত্বে তিন সদস্যের প্রথম ট্রাইব্যুনালে জামায়াতের সাবেক আমির অধ্যাপক গোলাম আযমের পক্ষে যুক্তিতর্ক গতকাল শুরু হয়নি। ধার্য দিন অনুযায়ী হরতালের দিন সকালে গোলাম আযমের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মিজানুল ইসলাম ব্যক্তিগত অসুবিধার কারণ দেখিয়ে ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত হতে পারেননি বলে জানান ডিফেন্সের জুনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট আসাদ উদ্দিন।
এসময় মুলতবির বিরোধিতা করেন প্রসিকিউটর জেয়াদ আল মালুম। তিনি ট্রাইব্যুনালে বলেন, ডিফেন্সের আইনজীবীরা একটি রাজনৈতিক দলের সাপোর্ট দেন। ওই দলের লোকেরা রাজনৈতিকভাবে মানুষের গাড়ি ভাঙেন, সহিংস আচরণ করে ট্রাইব্যুনাল বাতিল করার দাবি তোলেন এবং মাঠে বিভিন্ন কর্মসূচি দেন। তিনি বলেন, গোলাম আযমের সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক এখনও জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল।
এই দাবির বিরোধিতা করেন আসামি পক্ষের জুনিয়র আইনজীবী আসাদ উদ্দিন। তিনি বলেন, ট্রাইব্যুনালের একজন সিনিয়র প্রসিকিউটরের কাছে এমন রাজনৈতিক বক্তব্য আমাদের কাম্য নয়। আসাদউদ্দিন বলেন, রাজনৈতিক বক্তব্য আদালতের বাইরে দিলে আমাদের কোনো আপত্তি নেই। তবে তিনি (প্রসিকিউটর) ব্যারিস্টার রাজ্জাক সম্পর্কে যে কথা বলছেন তার সঙ্গে আমি একমত নই। তিনি বলেন, আমার জানা মতে ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক ট্রাইব্যুনালের মামলার কার্যক্রম শুরুর পর থেকে রাজনৈতিক কোনো মঞ্চে বক্তব্য দেননি।
প্রসিকিউটর জেয়াদ আল মালুম বলেন, ব্যারিস্টার রাজ্জাক সাহেব দল করেন না বা পদত্যাগ করেছেন এমনটা তো আমার জানা নেই। গোলাম আযমের আইনজীবীরা সব সময় এমনটি করে থাকেন। পরে ট্রাইব্যুনাল রোববার পর্যন্ত যুক্তিতর্ক মুলতবি করে। একই ট্রাইব্যুনালে আদালত অবমাননার অভিযোগে বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর আইনজীবী ব্যারিস্টার ফখরুল ইসলাম ট্রাইব্যুনালের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেন। ট্রাইব্যুনাল এ বিষয়ে আদেশের জন্য আগামী ৮ এপ্রিল দিন ধার্য করেন।
হাজির করা হয়।
জামায়াত নেতা মুজাহিদের বিরুদ্ধে এর আগে রাষ্ট্রপক্ষের ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। আসামি পক্ষের আইনজীবীরা তাদের জেরা শেষ করেছেন। একই ট্রাইব্যুনালে জামায়াতের আরেক নেতা মোহাম্মদ কামারুজ্জামানের পক্ষে গতকাল সিনিয়র কোনো আইনজীবী উপস্থিত না থাকায় পূর্বনির্ধারিত সাফাই সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ আগামী রোববার পর্যন্ত মুলতবি করা হয়েছে।
এদিকে চেয়ারম্যান বিচারপতি এটিএম ফজলে কবীরের নেতৃত্বে তিন সদস্যের প্রথম ট্রাইব্যুনালে জামায়াতের সাবেক আমির অধ্যাপক গোলাম আযমের পক্ষে যুক্তিতর্ক গতকাল শুরু হয়নি। ধার্য দিন অনুযায়ী হরতালের দিন সকালে গোলাম আযমের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মিজানুল ইসলাম ব্যক্তিগত অসুবিধার কারণ দেখিয়ে ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত হতে পারেননি বলে জানান ডিফেন্সের জুনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট আসাদ উদ্দিন।
এসময় মুলতবির বিরোধিতা করেন প্রসিকিউটর জেয়াদ আল মালুম। তিনি ট্রাইব্যুনালে বলেন, ডিফেন্সের আইনজীবীরা একটি রাজনৈতিক দলের সাপোর্ট দেন। ওই দলের লোকেরা রাজনৈতিকভাবে মানুষের গাড়ি ভাঙেন, সহিংস আচরণ করে ট্রাইব্যুনাল বাতিল করার দাবি তোলেন এবং মাঠে বিভিন্ন কর্মসূচি দেন। তিনি বলেন, গোলাম আযমের সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক এখনও জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল।
এই দাবির বিরোধিতা করেন আসামি পক্ষের জুনিয়র আইনজীবী আসাদ উদ্দিন। তিনি বলেন, ট্রাইব্যুনালের একজন সিনিয়র প্রসিকিউটরের কাছে এমন রাজনৈতিক বক্তব্য আমাদের কাম্য নয়। আসাদউদ্দিন বলেন, রাজনৈতিক বক্তব্য আদালতের বাইরে দিলে আমাদের কোনো আপত্তি নেই। তবে তিনি (প্রসিকিউটর) ব্যারিস্টার রাজ্জাক সম্পর্কে যে কথা বলছেন তার সঙ্গে আমি একমত নই। তিনি বলেন, আমার জানা মতে ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক ট্রাইব্যুনালের মামলার কার্যক্রম শুরুর পর থেকে রাজনৈতিক কোনো মঞ্চে বক্তব্য দেননি।
প্রসিকিউটর জেয়াদ আল মালুম বলেন, ব্যারিস্টার রাজ্জাক সাহেব দল করেন না বা পদত্যাগ করেছেন এমনটা তো আমার জানা নেই। গোলাম আযমের আইনজীবীরা সব সময় এমনটি করে থাকেন। পরে ট্রাইব্যুনাল রোববার পর্যন্ত যুক্তিতর্ক মুলতবি করে। একই ট্রাইব্যুনালে আদালত অবমাননার অভিযোগে বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর আইনজীবী ব্যারিস্টার ফখরুল ইসলাম ট্রাইব্যুনালের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেন। ট্রাইব্যুনাল এ বিষয়ে আদেশের জন্য আগামী ৮ এপ্রিল দিন ধার্য করেন।
-
শেষের পাতা



সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া










