Amardesh
আজঃঢাকা, শুক্রবার ৮ মার্চ ২০১৩, ২৪ ফাল্গুন ১৪১৯, ২৫ রবিউস সানি ১৪৩৪ হিজরী    আপডেট সময়ঃ রাত ১২টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 বিশেষ কর্ণার
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 সাপ্তাহিকী
 আমার দেশ-এর সাথে আছেন তো?
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

যে কোনো সময়ে যে কোনো স্থানে বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনা হতে পারে : সৈয়দ আশরাফ

স্টাফ রিপোর্টার
« আগের সংবাদ
পরের সংবাদ»
রাজনৈতিক সংলাপের বিষয়ে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন, আলোচনা ছাড়া কোনো সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। আজ হোক কাল হোক আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সব সমস্যা সমাধান করতে হবে। কিন্তু মাঝখানে জনগণ সাময়িকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, এটা দুঃখজনক। তিনি বলেন, যে কোনো বিষয়ে যে কোনো স্থানে বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনা হতে পারে।
গতকাল ঐতিহাসিক ৭ মার্চ দিবস উপলক্ষে ধানমন্ডির বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। এদিকে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের রায় কার্যকর ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার বাংলাদেশ গড়ার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করে ক্ষমতাসীন এ দলটি ঐতিহাসিক ৭ মার্চ পালন করেছে। দিবসটি উপলক্ষে গতকাল ধানমন্ডিতে জনতার ঢল নামে। দিবসটি উপলক্ষে আওয়ামী লীগ বিকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আলোচনার আয়োজন করেছে।
প্রধান বিরোধী দল বিএনপি তার জোটের শরিক জামায়াতে ইসলামীর ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে, এমন অভিযোগ করে আশরাফ বলেন, জামায়াতের ওপর বিএনপির বেশি নির্ভরশীলতা গণতন্ত্রের জন্য অশুভ লক্ষণ। জামায়াত রাজনৈতিক দল নয়, সন্ত্রাসী দল। সরকার পরিবর্তন প্রসঙ্গে এ নেতা বলেন, সরকার পরিবর্তন হবে গণতান্ত্রিক পন্থায়। নির্বাচনের মাধ্যমে। অন্য কোনো পন্থায় নয়।
সংলাপ প্রসঙ্গে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী আরও বলেন, ফরমাল নেগোসিয়েশন (সমঝোতা) হয় পরে। তার আগে ইনফরমাল আলোচনা হতে পারে। যেটাকে খালেদা জিয়া ‘তলে তলে ষড়যন্ত্র’ বলেন। খালেদা জিয়ার এ ধরনের কথা জাতির জন্য অশোভনীয়।
সকাল ৭টায় প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে তার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে কিছু সময় দাঁড়িয়ে নীরবতা পালন করেন। এ সময়ে মন্ত্রিসভার সদস্য, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, প্রতিমন্ত্রী এবং দলীয় সংসদ সদস্যরা তার সঙ্গে ছিলেন। পরে আওয়ামী লীগ সভাপতি হিসেবে শেখ হাসিনা দলীয় নেতাদের সঙ্গে নিয়ে আওয়ামী লীগের পক্ষে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন। এ সময়ে আওয়ামী লীগ উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য আমির হোসেন আমু ও তোফায়েল আহমেদ, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, আওয়ামী লীগ সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন ও আবদুল লতিফ সিদ্দিকী, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল-আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আফজাল হোসেনসহ বিভিন্ন নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু ভবন এলাকা ত্যাগ করার পর বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে তার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এম এ আজিজ ও সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়ার নেতৃত্বে মহানগর আওয়ামী লীগ, ওমর ফারুক চৌধুরী ও হারুন-অর রশিদের নেতৃত্বে যুবলীগ, এইচ এম বদিউজ্জামান সোহাগ, সিদ্দিকী নাজমূল আলম ও শেখ রাসেলের নেতৃত্বে ছাত্রলীগ, মোল্লা মো. আবু কাওসার ও পংকজ দেবনাথের নেতৃত্বে স্বেচ্ছাসেবক লীগ, নাজমা আক্তার ও অপু উকিলের নেতৃত্বে যুব মহিলা লীগ বঙ্গববন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে। এছাড়া জাতীয় শ্রমিক লীগ, কৃষক লীগ, যুব শ্রমিক লীগ, মত্স্যজীবী লীগ, হকার্স লীগ, তাঁতী লীগ, মুক্তিযোদ্ধা জনতা লীগ, বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগ, মোটরচালক লীগ, ওলামা লীগ, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, বঙ্গবন্ধু আদর্শ মূল্যায়ন ও গবেষণা সংসদ ও সংগঠন এবং সর্বস্তরের মানুষ বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে।