দীপু মনির ব্রিফিং : বাংলাদেশ পরিস্থিতি নিয়ে কূটনীতিকদের উদ্বেগ
কূটনৈতিক রিপোর্টার
| « আগের সংবাদ | পরের সংবাদ» |
বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে উদ্বিগ্ন কূটনীতিকরা। আগামীতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে বলে আশঙ্কা তাদের। গতকাল সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে কূটনীতিকদের ব্রিফ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি। তিনি কূটনীতিকদের প্রশ্নের জবাবে জানিয়েছেন, সেনাবাহিনী মোতায়েন করার মতো পরিস্থিতি এখনও তৈরি হয়নি।
জার্মান রাষ্ট্রদূত আলব্রেট ক্রোনিয়ে তাদের উদ্বেগ ও আশঙ্কার কথা জানিয়ে বলেন, আগামীতে যুদ্ধাপরাধের বিষয়ে আরও ১০টি রায় এবং ১৩টি আপিলের সিদ্ধান্ত হবে। আপিল বিভাগে যদি মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকে, তখন এ দণ্ড কার্যকরের প্রশ্ন আসবে। তখন পরিস্থিতি আরও সহিংস ও ভয়াবহ হতে পারে বলে আমাদের আশঙ্কা।
যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, জার্মানি, রাশিয়া, চীন, ভারত, ফিলিপাইনসহ প্রায় ৪০টি দেশের রাষ্ট্রদূত ও প্রতিনিধিরা ব্রিফিংয়ে অংশ নেন।
ব্রিফিং শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, যুদ্ধাপরাধের বিচারের রায় এবং এর পর জামায়াত-শিবির যে সহিসংতা চালাচ্ছে, সে ব্যাপারে কূটনীতিকদের অবহিত করেছি। একই সঙ্গে শাহবাগ আন্দোলনকে একটি ইতিবাচক আন্দোলন বলে তুলে ধরেছি তাদের সামনে। কূটনীতিকরা জামায়াতকে নিষিদ্ধ করা, জামায়াতের অর্থায়ন এবং পরিস্থিতি মোকাবিলায় সেনাবাহিনী মোতায়েনের বিষয়ে জানতে চেয়েছেন। আমি কূটনীতিকদের বলেছি, সেনাবাহিনী মোতায়েন করার মতো পরিস্থিতি এখনও তৈরি হয়নি। তবে জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার সব ধরনের পদক্ষেপই নেবে। জামায়াতের অর্থায়নের বিষয়টি সরকার খতিয়ে দেখছে।
সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে জার্মান রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে আমরা খুবই উদ্বিগ্ন। নিরীহ বেসামরিক মানুষ মারা যাচ্ছে। আগামী নির্বাচনের মাত্র ১০ মাস বাকি। এমন একটি সময়ে এ ধরনের সহিংস পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের মতো একটি দেশ কীভাবে টিকে থাকবে, তা নিয়ে আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। আমরা আশা করি, সব কিছু বিবেচনায় রেখে জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার সঠিক পদক্ষেপ নেবে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার সেনাবাহিনী মোতায়েন করবে কি না—এমন প্রশ্ন আমরা করেছি। এ প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, সংবিধানের আওতায় সব পদক্ষেপই নেয়া হবে। ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট গিবসন জানান, বর্তমান পরিস্থিতি খুবই দুঃখজনক।
জার্মান রাষ্ট্রদূত আলব্রেট ক্রোনিয়ে তাদের উদ্বেগ ও আশঙ্কার কথা জানিয়ে বলেন, আগামীতে যুদ্ধাপরাধের বিষয়ে আরও ১০টি রায় এবং ১৩টি আপিলের সিদ্ধান্ত হবে। আপিল বিভাগে যদি মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকে, তখন এ দণ্ড কার্যকরের প্রশ্ন আসবে। তখন পরিস্থিতি আরও সহিংস ও ভয়াবহ হতে পারে বলে আমাদের আশঙ্কা।
যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, জার্মানি, রাশিয়া, চীন, ভারত, ফিলিপাইনসহ প্রায় ৪০টি দেশের রাষ্ট্রদূত ও প্রতিনিধিরা ব্রিফিংয়ে অংশ নেন।
ব্রিফিং শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, যুদ্ধাপরাধের বিচারের রায় এবং এর পর জামায়াত-শিবির যে সহিসংতা চালাচ্ছে, সে ব্যাপারে কূটনীতিকদের অবহিত করেছি। একই সঙ্গে শাহবাগ আন্দোলনকে একটি ইতিবাচক আন্দোলন বলে তুলে ধরেছি তাদের সামনে। কূটনীতিকরা জামায়াতকে নিষিদ্ধ করা, জামায়াতের অর্থায়ন এবং পরিস্থিতি মোকাবিলায় সেনাবাহিনী মোতায়েনের বিষয়ে জানতে চেয়েছেন। আমি কূটনীতিকদের বলেছি, সেনাবাহিনী মোতায়েন করার মতো পরিস্থিতি এখনও তৈরি হয়নি। তবে জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার সব ধরনের পদক্ষেপই নেবে। জামায়াতের অর্থায়নের বিষয়টি সরকার খতিয়ে দেখছে।
সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে জার্মান রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে আমরা খুবই উদ্বিগ্ন। নিরীহ বেসামরিক মানুষ মারা যাচ্ছে। আগামী নির্বাচনের মাত্র ১০ মাস বাকি। এমন একটি সময়ে এ ধরনের সহিংস পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের মতো একটি দেশ কীভাবে টিকে থাকবে, তা নিয়ে আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। আমরা আশা করি, সব কিছু বিবেচনায় রেখে জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার সঠিক পদক্ষেপ নেবে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার সেনাবাহিনী মোতায়েন করবে কি না—এমন প্রশ্ন আমরা করেছি। এ প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, সংবিধানের আওতায় সব পদক্ষেপই নেয়া হবে। ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট গিবসন জানান, বর্তমান পরিস্থিতি খুবই দুঃখজনক।
-
প্রথম পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া










