Amardesh
আজঃ ঢাকা, সোমবার ২১ ডিসেম্বর ২০০৯, ৭ পৌষ ১৪১৬, ৩ মহররম ১৪৩০     আপডেট সময়ঃ সময় : রাত ২টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 বিশেষ কর্ণার
 সাপ্তাহিকী
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --

কাউন্সিল ছাড়াই গঠনতন্ত্রে সংশোধনী এনে ইসিতে জমা দিল আওয়ামী লীগ

বিশেষ প্রতিনিধি
আওয়ামী লীগ প্রায় ছয় মাস আগে গত জুলাই মাসে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) দেয়া গঠনতন্ত্রে সংশোধনী এনে গতকাল আবার জমা দিয়েছে। কাউন্সিল ছাড়াই তারা তাদের গঠনতন্ত্রে এ সংশোধনী নিয়ে আসে। নির্বাচন কমিশনের পরামর্শে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এসব সংশোধনী আনা হয়েছে। গতকাল দুপুরে আওয়ামী লীগের একটি প্রতিনিধি দল প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এটিএম শামসুল হুদার কাছে এটি জমা দেন। প্রতিনিধি দলে ছিলেন উপ-দফতর সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস, সহকারী দফতর সম্পাদক রিয়াজুল কবির কাওসার এবং কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আমিনুল ইসলাম।
জানা গেছে, আগে জমা দেয়া গঠনতন্ত্রে জাতীয় শ্রমিক লীগ ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন হিসেবে দেখানো হয়েছিল। কিন্তু সেটা আরপিও অনুযায়ী না হওয়ায় তাতে পরিবর্তন এনে বলা হয়েছে, এ দুটি সংগঠন তাদের স্ব-স্ব সংগঠনের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী পরিচালিত হবে। এছাড়া দেশের বাইরে আওয়ামী লীগের সংগঠনগুলোর ব্যাপারেও নতুন অবস্থান তুলে ধরে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগের আদর্শে বিশ্বাসী বিভিন্ন দেশে স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে বসবাসরত প্রবাসী বাঙালি জনগোষ্ঠী সংশ্লিষ্ট দেশের আইন অনুযায়ী সংগঠন করতে পারবে।
সংশোধিত গঠনতন্ত্রে সহযোগী সংগঠনের তালিকা থেকে স্বাধীনতা চিকিত্সক পরিষদের (স্বাচিপ) নাম বাদ দেয়া হয়েছে। এখন থেকে এটি স্বতন্ত্র সংগঠন হিসেবে থাকবে।
সংশোধনী অনুযায়ী বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগ, বাংলাদেশ কৃষক লীগ, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, আওয়ামী স্বেছাসেবক লীগ, আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ, বাংলাদেশ তাঁতি লীগ ও বাংলাদেশ যুব মহিলা লীগ এখন থেকে আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন হিসেবে থাকবে।
গত ২৪ জুলাই আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে দলের সভানেত্রী শেখ হাসিনাকে দলের গঠনতন্ত্র সংশোধনের ক্ষমতা দেয়া হয়। হাসিনা দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে দলীয় গঠনতন্ত্র সংশোধন করেন। তবে এরপরও গঠনতন্ত্রের সঙ্গে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) অসঙ্গতি রয়েছে জানিয়ে ইসি ২২ নভেম্বর আওয়ামী লীগকে একটি চিঠি দেয়। এর ভিত্তিতে এ সংশোধনীর উদ্যোগ নেয়া হয়। আওয়ামী লীগ নেতারা জানিয়েছেন, দলীয় সভানেত্রী দেশের বাইরে যাওয়ার আগে গত ১২ ডিসেম্বর এ সিদ্ধান্তে অনুমোদন দেন। তারা বলছেন, গত কাউন্সিলেই দলীয় সভানেত্রীকে গঠনতন্ত্রে সংশোধনী আনার ক্ষমতা দেয়া হয়েছিল। কিন্তু এ নিয়ে ভিন্ন মতও রয়েছে। ভিন্নমত পোষণকারীরা বলছেন, নেত্রীকে ওই ক্ষমতা দেয়া হয়েছিল সাময়িকভাবে। সেটা প্রয়োগ করে তিনি গঠনতন্ত্রে প্রয়োজনীয় সংশোধনী শেষে চূড়ান্ত করে কাউন্সিলরদের অনুমোদনসহ নির্বাচন কমিশনে জমা দিয়েছিলেন। এ অবস্থায় কাউন্সিলরদের অনুমোদন ছাড়া নতুন করে গঠনতন্ত্রে সংশোধনের কোনো সুযোগ নেই।
 
সদস্য লগইন
ইউজার আইডি :
পাসওয়ার্ড :
সাইন আপ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন ?