আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ : বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় রিভিউর জন্য ৩০ দিনের সময় গণনা শুরু
বিশেষ প্রতিনিধি
বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার আপিল বিভাগের রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি অ্যাটর্নি জেনারেলের হাতে পৌঁছেছে। আপিলের ওপর আসামিপক্ষের রিভিউ পিটিশন দাখিলের ৩০ দিনের সময়সীমা গণনা গতকাল থেকেই শুরু হয়েছে। আগামী ১৮ জানুয়ারির মধ্যে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা প্রিভিউ পিটিশন দাখিল করতে পারবেন।
আপিল বিভাগের ৫ বিচারপতি রায় দেয়ার এক মাসের মাথায় গত বৃহস্পতিবার পূর্ণাঙ্গ রায়ের কপিতে স্বাক্ষর করেন। গতকাল এই রায়ের কপি সুপ্রিমকোর্টের রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে পৌঁছে। রেজিস্ট্রারের অফিস থেকে বিকালেই অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসে পাঠানো হয়। এরপর নিম্ন আদালতে পাঠানো হবে। রেজিস্ট্রারের অফিস থেকে এই রায়ের কপি আসামিপক্ষের আইনজীবীরা ৮ হাজার ৬৯৫ টাকা দিয়ে কিনতে পারবেন।
কপি পাওয়ার পর অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট মাহবুবে আলম গতকাল সাংবাদিকদের কাছে রায়ের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তিনি জানান, লিভ গ্রান্টের ৫টি বিষয়ের ওপর আপিলকারীরা যে বক্তব্য দিয়েছেন, রায়ে আপিল বিভাগ তা নাকচ করে দিয়েছেন। রায়ে বিচারপতি তাফাজ্জাল ইসলামের সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন অপর ৪ বিচারপতি। তাদের মধ্যে ৩ বিচারপতি তাদের ব্যক্তিগত নানা যুক্তিও উল্লেখ করেছেন। বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার এই রায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ফারুক রহমান, আর্টিলারি মহিউদ্দিন, ল্যান্সার মহিউদ্দিন এবং বজলুল হুদাকে ৩০২, ১২০বি এবং ৩৪ ধারা অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছে এবং ৩০২ ও ১২০বি ধারায় সুলতান শাহরিয়ার রশীদের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে।
রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে, ফৌজদারি কার্যবিধিতে রাষ্ট্রের সব নাগরিকের বিচার পাওয়ার অধিকার রক্ষার দায়িত্ব রাষ্ট্রের। কিন্তু বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় এই দায়িত্ব সমুন্নত রাখা হয়নি এবং কোনো রকম পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপিতে বিচারপতিরা এ মন্তব্য করেছেন। বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় তত্কালীন সরকারের নিষ্ক্রিয়তা সম্পর্কে রায়ে তীব্র ভর্ত্সনা করে বলা হয়েছে, এই নিষ্ক্রিয়তা দুর্ভাগ্যজনক এবং কলঙ্কজনক। রায়ে বলা হয়েছে, ফৌজদারি কার্যবিধিতে রাষ্ট্রের সব নাগরিকের বিচার পাওয়ার অধিকার রক্ষার দায়িত্ব রাষ্ট্রের। কিন্তু বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় এই দায়িত্ব সমুন্নত রাখা হয়নি এবং কোনো রকম পদক্ষেপ নেয়া হয়নি।
আসামিপক্ষের আইনজীবী খান সাইফুর রহমান আসামিদের মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়ার আবেদনের প্রেক্ষিতে রায়ে বলা হয়েছে, আসামিরা সুপরিকল্পিতভাবে এই জঘন্য হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। এই জঘন্য হত্যাকাণ্ডের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড থেকে কমিয়ে যাবজ্জীবন করার কোনো যুক্তি আসামিপক্ষের আইনজীবীরা উপস্থাপন করতে পারেনি।
আপিল বিভাগের ৫ বিচারপতি রায় দেয়ার এক মাসের মাথায় গত বৃহস্পতিবার পূর্ণাঙ্গ রায়ের কপিতে স্বাক্ষর করেন। গতকাল এই রায়ের কপি সুপ্রিমকোর্টের রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে পৌঁছে। রেজিস্ট্রারের অফিস থেকে বিকালেই অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসে পাঠানো হয়। এরপর নিম্ন আদালতে পাঠানো হবে। রেজিস্ট্রারের অফিস থেকে এই রায়ের কপি আসামিপক্ষের আইনজীবীরা ৮ হাজার ৬৯৫ টাকা দিয়ে কিনতে পারবেন।
কপি পাওয়ার পর অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট মাহবুবে আলম গতকাল সাংবাদিকদের কাছে রায়ের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তিনি জানান, লিভ গ্রান্টের ৫টি বিষয়ের ওপর আপিলকারীরা যে বক্তব্য দিয়েছেন, রায়ে আপিল বিভাগ তা নাকচ করে দিয়েছেন। রায়ে বিচারপতি তাফাজ্জাল ইসলামের সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন অপর ৪ বিচারপতি। তাদের মধ্যে ৩ বিচারপতি তাদের ব্যক্তিগত নানা যুক্তিও উল্লেখ করেছেন। বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার এই রায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ফারুক রহমান, আর্টিলারি মহিউদ্দিন, ল্যান্সার মহিউদ্দিন এবং বজলুল হুদাকে ৩০২, ১২০বি এবং ৩৪ ধারা অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছে এবং ৩০২ ও ১২০বি ধারায় সুলতান শাহরিয়ার রশীদের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে।
রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে, ফৌজদারি কার্যবিধিতে রাষ্ট্রের সব নাগরিকের বিচার পাওয়ার অধিকার রক্ষার দায়িত্ব রাষ্ট্রের। কিন্তু বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় এই দায়িত্ব সমুন্নত রাখা হয়নি এবং কোনো রকম পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপিতে বিচারপতিরা এ মন্তব্য করেছেন। বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় তত্কালীন সরকারের নিষ্ক্রিয়তা সম্পর্কে রায়ে তীব্র ভর্ত্সনা করে বলা হয়েছে, এই নিষ্ক্রিয়তা দুর্ভাগ্যজনক এবং কলঙ্কজনক। রায়ে বলা হয়েছে, ফৌজদারি কার্যবিধিতে রাষ্ট্রের সব নাগরিকের বিচার পাওয়ার অধিকার রক্ষার দায়িত্ব রাষ্ট্রের। কিন্তু বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় এই দায়িত্ব সমুন্নত রাখা হয়নি এবং কোনো রকম পদক্ষেপ নেয়া হয়নি।
আসামিপক্ষের আইনজীবী খান সাইফুর রহমান আসামিদের মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়ার আবেদনের প্রেক্ষিতে রায়ে বলা হয়েছে, আসামিরা সুপরিকল্পিতভাবে এই জঘন্য হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। এই জঘন্য হত্যাকাণ্ডের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড থেকে কমিয়ে যাবজ্জীবন করার কোনো যুক্তি আসামিপক্ষের আইনজীবীরা উপস্থাপন করতে পারেনি।
-
প্রথম পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া

