ঢাকা দূতাবাসের নিরাপত্তায় ৫০ এসএসবি পাঠাচ্ছে ভারত
স্টাফ রিপোর্টার
বাংলাদেশের দেয়া নিরাপত্তা ব্যবস্থায় আস্থা না থাকার যুক্তিতে ঢাকায় ভারতীয় দূতাবাস রক্ষায় দেশটির আধা-সামরিক বাহিনী সশস্ত্র সীমা বলের (এসএসবি) ৫০ এলিট সদস্য পাঠাচ্ছে ভারত। পাকিস্তানভিত্তিক মুসলিম গ্রুপ লস্কর-ই তৈয়বার পক্ষ থেকে সম্ভাব্য হুমকির আশঙ্কায় ভারত এ পদক্ষেপ নিচ্ছে বলে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উদ্ধৃতি দিয়ে প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়া (পিটিআই) ও কলকাতা থেকে প্রকাশিত আনন্দবাজার পত্রিকা গতকাল এ তথ্য জানিয়েছে।
ভারতীয় মিডিয়ার মতে, নির্বাচিত এ ৫০ এসএসবি সদস্যকে এরই মধ্যে বিশেষ প্রশিক্ষণও দেয়া হয়েছে। তারা ভারতীয় দূতাবাস রক্ষার পাশাপাশি দেশটির ভিআইপিদের নিরাপত্তা দেয়ার কাজে নিয়োজিত থাকবে। এসব ভিআইপি দূতাবাসে থাকাকালে যেমন নিরাপত্তা পাবেন, তেমনি দূতাবাসের বাইরে অবস্থানকালেও এসএসবির নিরাপত্তা চাদরের আওতায় থাকবেন।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে বাংলাদেশে এ ৫০ এসএসবি সদস্য পাঠানোর অনুমোদন পাওয়া গেলেই তাদের পাঠানো হবে বলে পিটিআই দাবি করেছে। তবে পিটিআই এটাও বলেছে, ঢাকায় ভারতীয় দূতাবাসে এসএসবি মোতায়েনের ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে কিনা তার মাঠ-জরিপ রিপোর্ট ভারতীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হাতে পৌঁছানোর পরই কমান্ডো বাহিনীর সমতুল্য এ ৫০ এলিট এসএসবি সদস্যকে ঢাকায় পাঠানো হবে।
মূলত ভারত-নেপাল ও ভারত-ভুটান সীমান্ত রক্ষায় দায়িত্ব পালন করে এসএসবি। নেপাল সীমান্তে এসএসবি মোতায়েন প্রসঙ্গে ভারতীয় এ আধা-সামরিক বাহিনীর ডিজি এমভি কৃষ্ণ রাও গত ১৭ ডিসেম্বর নয়াদিল্লিতে সাংবাদিকদের বলেছেন, চীন এখন নেপালের সব জায়গায় সাংস্কৃতিক ক্ষেত্র তৈরি করে সেখানে প্রভাব সৃষ্টির চেষ্টা করছে। তাই নেপাল সীমান্তে এসএসবি মোতায়েন জরুরি।
বাংলাদেশে এসএসবি নিয়োগের সিদ্ধান্তের পেছনে ভারত যে যুক্তি দেখাচ্ছে, তা হলো গত মাসে বাংলাদেশে লস্কর-ই তৈয়বার কথিত তিন সদস্য ধরা পড়েছে। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে তখন দাবি করা হয়েছিল, লস্কর-ই তৈয়বা ঢাকায় আমেরিকা, ব্রিটেন ও ভারতীয় দূতাবাসে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। সরকারের পক্ষ থেকে এটাও দাবি করা হয়েছে, আমেরিকার গোয়েন্দা সংস্থা ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (এফবিআই) তথ্যের ভিত্তিতেই লস্কর-ই তৈয়বার কথিত এ তিন সদস্যকে ধরা হয়।
এদিকে, বিডিনিউজ তাদের নয়াদিল্লি প্রতিনিধির বরাত দিয়ে বলেছে, এসএসবির এ বিশেষ ৫০ সদস্যকে নিরাপত্তার কাজে ব্যবহৃত উচ্চপ্রযুক্তি সম্পর্কে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পেলেই তাদের বাংলাদেশ পাঠানো হবে।
ভারতীয় মিডিয়ার মতে, নির্বাচিত এ ৫০ এসএসবি সদস্যকে এরই মধ্যে বিশেষ প্রশিক্ষণও দেয়া হয়েছে। তারা ভারতীয় দূতাবাস রক্ষার পাশাপাশি দেশটির ভিআইপিদের নিরাপত্তা দেয়ার কাজে নিয়োজিত থাকবে। এসব ভিআইপি দূতাবাসে থাকাকালে যেমন নিরাপত্তা পাবেন, তেমনি দূতাবাসের বাইরে অবস্থানকালেও এসএসবির নিরাপত্তা চাদরের আওতায় থাকবেন।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে বাংলাদেশে এ ৫০ এসএসবি সদস্য পাঠানোর অনুমোদন পাওয়া গেলেই তাদের পাঠানো হবে বলে পিটিআই দাবি করেছে। তবে পিটিআই এটাও বলেছে, ঢাকায় ভারতীয় দূতাবাসে এসএসবি মোতায়েনের ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে কিনা তার মাঠ-জরিপ রিপোর্ট ভারতীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হাতে পৌঁছানোর পরই কমান্ডো বাহিনীর সমতুল্য এ ৫০ এলিট এসএসবি সদস্যকে ঢাকায় পাঠানো হবে।
মূলত ভারত-নেপাল ও ভারত-ভুটান সীমান্ত রক্ষায় দায়িত্ব পালন করে এসএসবি। নেপাল সীমান্তে এসএসবি মোতায়েন প্রসঙ্গে ভারতীয় এ আধা-সামরিক বাহিনীর ডিজি এমভি কৃষ্ণ রাও গত ১৭ ডিসেম্বর নয়াদিল্লিতে সাংবাদিকদের বলেছেন, চীন এখন নেপালের সব জায়গায় সাংস্কৃতিক ক্ষেত্র তৈরি করে সেখানে প্রভাব সৃষ্টির চেষ্টা করছে। তাই নেপাল সীমান্তে এসএসবি মোতায়েন জরুরি।
বাংলাদেশে এসএসবি নিয়োগের সিদ্ধান্তের পেছনে ভারত যে যুক্তি দেখাচ্ছে, তা হলো গত মাসে বাংলাদেশে লস্কর-ই তৈয়বার কথিত তিন সদস্য ধরা পড়েছে। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে তখন দাবি করা হয়েছিল, লস্কর-ই তৈয়বা ঢাকায় আমেরিকা, ব্রিটেন ও ভারতীয় দূতাবাসে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। সরকারের পক্ষ থেকে এটাও দাবি করা হয়েছে, আমেরিকার গোয়েন্দা সংস্থা ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (এফবিআই) তথ্যের ভিত্তিতেই লস্কর-ই তৈয়বার কথিত এ তিন সদস্যকে ধরা হয়।
এদিকে, বিডিনিউজ তাদের নয়াদিল্লি প্রতিনিধির বরাত দিয়ে বলেছে, এসএসবির এ বিশেষ ৫০ সদস্যকে নিরাপত্তার কাজে ব্যবহৃত উচ্চপ্রযুক্তি সম্পর্কে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পেলেই তাদের বাংলাদেশ পাঠানো হবে।
-
প্রথম পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া

