যশোরে চাঁদাবাজির মামলায় মাওলানা সাখাওয়াত গ্রেফতার : হুইপ ওহাবের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ
যশোর অফিস
সাবেক সংসদ সদস্য ও জাতীয় পার্টির (এরশাদ) সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য মাওলানা সাখাওয়াত হোসেনকে কেশবপুর শহীদ ফ্লাইট লে. মাসুদ মেমোরিয়াল কলেজের ১৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মামলা হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই রাত ১২টায় কেশবপুরের বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
মাওলানা সাখাওয়াত অভিযোগ করেছেন, তার ছেলের নামে প্রতিষ্ঠিত কলেজটি ধ্বংসের জন্য জাতীয় সংসদের হুইপ শেখ আবদুল ওহাব উঠেপড়ে লেগেছেন। এ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই তার বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
কেশবপুর থানার ওসি মীর রেজাউল ইসলাম জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কলেজের অধ্যক্ষ মশিয়ুর রহমান বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা করেছেন। এজাহারে বলা হয়, ২০০৪ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত ওই কলেজের শিক্ষকদের কাছ থেকে ৫ লাখ ১১ হাজার ৫০০ টাকা চাঁদা নেন তিনি। তাছাড়া মাসুদ মেমোরিয়াল ট্রাস্টের নামে ১৩ লাখ ৮০ হাজার ৮০০ টাকা আত্মসাত্ করেন মাওলানা সাখাওয়াত। রাতে গ্রেফতারের পর পরই তাকে যশোর কোতোয়ালি থানায় আনা হয়। দুপুরে মাওলানা সাখাওয়াতকে হাজির করা হয় আদালতে। আদালত জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মাওলানা সাখাওয়াত কোতোয়ালি থানা হাজতে বসে সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন, সম্পূর্ণ নিজের অর্থায়নে তিনি তার শহীদ ছেলে ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মাসুদের নামে কেশবপুরের পল্লীতে কলেজটি গড়ে তুলেছেন। এই প্রতিষ্ঠানের পেছনে অন্য কারও কোনো অবদান নেই। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই তিনি কলেজটির পরিচালনা পরিষদের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। কিন্তু মহাজোট সরকার গঠনের পর জাতীয় সংসদের হুইপ আওয়ামী লীগ নেতা অধ্যক্ষ শেখ আব্দুল ওহাব কলেজটি ধ্বংসের জন্য উঠেপড়ে লাগেন। স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতাকে প্রতিষ্ঠাতা সাজিয়ে হুইপ নিজেই কলেজটির সভাপতি বনে যান। এ ব্যাপারে হাইকোর্টে রিট করা হলে আদালত গত ১৪ ডিসেম্বর মাওলানা সাখাওয়াতের পক্ষে রায় দেন। এই রায়ের কপি বৃহস্পতিবার হাতে আসে। ওইদিন সন্ধ্যায় তড়িঘড়ি করে মাওলানা সাখাওয়াতসহ ছ’জনের নামে কেশবপুর থানায় মামলা করা হয়। তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পুলিশ মাওলানা সাখাওয়াতকে গ্রেফতার করে।
মাওলানা সাখাওয়াতের অভিযোগ, হুইপ কলেজটির অধ্যক্ষকে তাড়িয়ে মশিউর রহমান নামে এক ব্যক্তিকে অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ দেন। অথচ সার্টিফিকেট জালিয়াতির অভিযোগে এই মশিউর রহমানকে ২০০৫ সালের মে মাসে বরখাস্ত করা হয়েছিল। এই মশিউর রহমানকে এখন ব্যবহার করছেন হুইপ। মাওলানা সাখাওয়াত দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে বলেন, নিজের সর্বস্ব উজাড় করে শহীদ ছেলের নামে কলেজ প্রতিষ্ঠা করেছি। সেই কলেজের শিক্ষকদের কাছ থেকে চাঁদাবাজির অভিযোগ পাগলেও বিশ্বাস করবে না।
মাওলানা সাখাওয়াত অভিযোগ করেছেন, তার ছেলের নামে প্রতিষ্ঠিত কলেজটি ধ্বংসের জন্য জাতীয় সংসদের হুইপ শেখ আবদুল ওহাব উঠেপড়ে লেগেছেন। এ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই তার বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
কেশবপুর থানার ওসি মীর রেজাউল ইসলাম জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কলেজের অধ্যক্ষ মশিয়ুর রহমান বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা করেছেন। এজাহারে বলা হয়, ২০০৪ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত ওই কলেজের শিক্ষকদের কাছ থেকে ৫ লাখ ১১ হাজার ৫০০ টাকা চাঁদা নেন তিনি। তাছাড়া মাসুদ মেমোরিয়াল ট্রাস্টের নামে ১৩ লাখ ৮০ হাজার ৮০০ টাকা আত্মসাত্ করেন মাওলানা সাখাওয়াত। রাতে গ্রেফতারের পর পরই তাকে যশোর কোতোয়ালি থানায় আনা হয়। দুপুরে মাওলানা সাখাওয়াতকে হাজির করা হয় আদালতে। আদালত জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মাওলানা সাখাওয়াত কোতোয়ালি থানা হাজতে বসে সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন, সম্পূর্ণ নিজের অর্থায়নে তিনি তার শহীদ ছেলে ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মাসুদের নামে কেশবপুরের পল্লীতে কলেজটি গড়ে তুলেছেন। এই প্রতিষ্ঠানের পেছনে অন্য কারও কোনো অবদান নেই। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই তিনি কলেজটির পরিচালনা পরিষদের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। কিন্তু মহাজোট সরকার গঠনের পর জাতীয় সংসদের হুইপ আওয়ামী লীগ নেতা অধ্যক্ষ শেখ আব্দুল ওহাব কলেজটি ধ্বংসের জন্য উঠেপড়ে লাগেন। স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতাকে প্রতিষ্ঠাতা সাজিয়ে হুইপ নিজেই কলেজটির সভাপতি বনে যান। এ ব্যাপারে হাইকোর্টে রিট করা হলে আদালত গত ১৪ ডিসেম্বর মাওলানা সাখাওয়াতের পক্ষে রায় দেন। এই রায়ের কপি বৃহস্পতিবার হাতে আসে। ওইদিন সন্ধ্যায় তড়িঘড়ি করে মাওলানা সাখাওয়াতসহ ছ’জনের নামে কেশবপুর থানায় মামলা করা হয়। তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পুলিশ মাওলানা সাখাওয়াতকে গ্রেফতার করে।
মাওলানা সাখাওয়াতের অভিযোগ, হুইপ কলেজটির অধ্যক্ষকে তাড়িয়ে মশিউর রহমান নামে এক ব্যক্তিকে অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ দেন। অথচ সার্টিফিকেট জালিয়াতির অভিযোগে এই মশিউর রহমানকে ২০০৫ সালের মে মাসে বরখাস্ত করা হয়েছিল। এই মশিউর রহমানকে এখন ব্যবহার করছেন হুইপ। মাওলানা সাখাওয়াত দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে বলেন, নিজের সর্বস্ব উজাড় করে শহীদ ছেলের নামে কলেজ প্রতিষ্ঠা করেছি। সেই কলেজের শিক্ষকদের কাছ থেকে চাঁদাবাজির অভিযোগ পাগলেও বিশ্বাস করবে না।
-
প্রথম পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া

