কোটি টাকার অবৈধ সরঞ্জামসহ ঢাকা ফোন কর্মকর্তা গ্রেফতার
স্টাফ রিপোর্টার
অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে বেসরকারি ফোন কোম্পানি ঢাকা ফোনের কর্মকর্তাসহ দু’জনকে গ্রেফতার করেছে র্যাব। এরা হচ্ছে ঢাকা ফোনের প্রকৌশলী রাসেল মাহমুদ ও বাড়ির মালিক গোলাম মোস্তফা। বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর নিকুঞ্জ ও গুলশানের শাহজাদপুর এলাকার ঢাকা ফোনের একটি টাওয়ার থেকে এসব অবৈধ সরঞ্জাম আটক করা হয়। উদ্ধারকৃত সরঞ্জামের মূল্য প্রায় কোটি টাকা। এ ঘটনায় ঢাকা ফোনের আরও কয়েকজন কর্মকর্তাকে র্যাব গোয়েন্দারা খুঁজছে বলে জানা যায়।
র্যাব-১-এর মেজর সাখাওয়াত হোসেন জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তারা জানতে পারেন নিকুঞ্জ এলাকায় একটি ফ্ল্যাটে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসা চলছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব সদর দফতরের ইন্টেলিজেন্স উইং, র্যাব-১ ও বিটিআরসির সমন্বয়ে গঠিত একটি টিম বৃহস্পতিবার বিকালে অভিযান শুরু করে। তারা নিকুঞ্জ এলাকার ১৮ নম্বর রোডের ১৭ নম্বর বাড়ির পঞ্চমতলায় অভিযান চালিয়ে বেশ কিছু ভিওআইপি সরঞ্জাম উদ্ধার করে। সেখান থেকে গ্রেফতার করা হয় বাড়ির মালিক ও অবৈধ ব্যবসায়ী গোলাম মোস্তফাকে। তার দেয়া তথ্য অনুযায়ী রাতে গ্রেফতার করা হয় ঢাকা ফোনের কর্মকর্তা রাসেল মাহমুদকে। তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী গুলশান শাহজাদপুর বাসস্ট্যান্ডের কাছে একটি ফ্ল্যাটের ছাদে অভিযান চালায় র্যাব ও বিটিআরসি। ওই এলাকায় ঢাকা ফোনের একটি টাওয়ারের বিটিএস রুম থেকে প্রায় কোটি টাকার অবৈধ ভিওআইপি সরঞ্জাম আটক করে র্যাব সদস্যরা।
গ্রেফতারকৃত রাসেল মাহমুদ জানান, ঢাকা ফোনের চেয়ারম্যান এটিএম হায়াতুজ্জামান। এর সঙ্গে ঢাকা ফোনের জিএম সরাসরি জড়িত। র্যাব জানায়, দীর্ঘদিন ধরে সংঘবদ্ধচক্র অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসা করে আসছে। এ অবৈধ ব্যবসার মাধ্যমে তারা প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৬ লাখ টাকা লাভ করে আসছিল। ফলে প্রতিদিন সরকারের রাজস্ব ক্ষতি হচ্ছিল ১২ লাখ টাকা। বিটিআরসি কর্মকর্তাদের দাবি, এই অবৈধ ব্যবসার কারণে সরকার প্রতি মাসে প্রায় কয়েক কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে। পুলিশ জানায়, অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসার অভিযোগে ঢাকা ফোনের বিরুদ্ধে বিটিআরসি খিলক্ষেত থানায় বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ আইনে একটি মামলা দায়ের করেছে।
র্যাব-১-এর মেজর সাখাওয়াত হোসেন জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তারা জানতে পারেন নিকুঞ্জ এলাকায় একটি ফ্ল্যাটে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসা চলছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব সদর দফতরের ইন্টেলিজেন্স উইং, র্যাব-১ ও বিটিআরসির সমন্বয়ে গঠিত একটি টিম বৃহস্পতিবার বিকালে অভিযান শুরু করে। তারা নিকুঞ্জ এলাকার ১৮ নম্বর রোডের ১৭ নম্বর বাড়ির পঞ্চমতলায় অভিযান চালিয়ে বেশ কিছু ভিওআইপি সরঞ্জাম উদ্ধার করে। সেখান থেকে গ্রেফতার করা হয় বাড়ির মালিক ও অবৈধ ব্যবসায়ী গোলাম মোস্তফাকে। তার দেয়া তথ্য অনুযায়ী রাতে গ্রেফতার করা হয় ঢাকা ফোনের কর্মকর্তা রাসেল মাহমুদকে। তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী গুলশান শাহজাদপুর বাসস্ট্যান্ডের কাছে একটি ফ্ল্যাটের ছাদে অভিযান চালায় র্যাব ও বিটিআরসি। ওই এলাকায় ঢাকা ফোনের একটি টাওয়ারের বিটিএস রুম থেকে প্রায় কোটি টাকার অবৈধ ভিওআইপি সরঞ্জাম আটক করে র্যাব সদস্যরা।
গ্রেফতারকৃত রাসেল মাহমুদ জানান, ঢাকা ফোনের চেয়ারম্যান এটিএম হায়াতুজ্জামান। এর সঙ্গে ঢাকা ফোনের জিএম সরাসরি জড়িত। র্যাব জানায়, দীর্ঘদিন ধরে সংঘবদ্ধচক্র অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসা করে আসছে। এ অবৈধ ব্যবসার মাধ্যমে তারা প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৬ লাখ টাকা লাভ করে আসছিল। ফলে প্রতিদিন সরকারের রাজস্ব ক্ষতি হচ্ছিল ১২ লাখ টাকা। বিটিআরসি কর্মকর্তাদের দাবি, এই অবৈধ ব্যবসার কারণে সরকার প্রতি মাসে প্রায় কয়েক কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে। পুলিশ জানায়, অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসার অভিযোগে ঢাকা ফোনের বিরুদ্ধে বিটিআরসি খিলক্ষেত থানায় বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ আইনে একটি মামলা দায়ের করেছে।
-
প্রথম পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া

