বিদেশগামী শ্রমিকদের হয়রানি বন্ধে নজর দিন : রাষ্ট্রপতি
বাসস
চাকরির জন্য বিদেশ যেতে ইচ্ছুক বাংলাদেশী কর্মীদের হয়রানি ও প্রতারণা বন্ধে আরও বেশি নজর দেয়ার জন্য প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান। তিনি বলেন, বিদেশে চাকরিপ্রত্যাশী অনেকেই দেশ ছড়ার আগে অথবা পরে নানা প্রতারণা ও হয়রানির শিকার হন এবং সহায়-সম্বল হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে মানবেতর জীবনযাপনে বাধ্য হন। আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস ২০০৯ উপলক্ষে গতকাল ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, আমি আশা করি, সরকারের পাশাপাশি এ খাতের সঙ্গে জড়িত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবেন। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজু। শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয়ের সচিব ইলিয়াস আহমদও বক্তৃতা করেন। তথ্যমন্ত্রী আবুল কালাম আজাদ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচটি ইমাম এবং অন্যান্য মন্ত্রী, কূটনীতিক, উন্নয়ন অংশীদার ও বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে দেশের সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে বিদেশে চাকরির জন্য যেতে ইচ্ছুক শ্রমিকদের ‘দক্ষতা’ বৃদ্ধিতে আরও উদ্যোগ নেয়া প্রয়োজন।
তিনি বলেন, বিদেশে চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে দক্ষতা এবং যে দেশে যাবে সে দেশের ভাষা ও রীতিনীতি সম্পর্কিত ধারণা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
তিনি বলেন, বৈদেশিক কর্মসংস্থান খাত বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দা সত্ত্বেও দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে অভিবাসীদের অবদান অপরিসীম। তিনি বলেন, সম্প্রতি তাদের কষ্টার্জিত অর্থ বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভের এক নতুন ইতিহাস গড়েছে।
রাষ্ট্রপতি সরকারের ‘রূপকল্প ২০২১’ ঘোষণার কথা উল্লেখ করে বলেন, এই কর্মসূচি বাস্তবায়নে সফলতা পরিমাপের নির্দেশকসমূহের মধ্যে রয়েছে মানবসম্পদ উন্নয়ন।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার মানবসম্পদের যথাযথ উন্নয়নের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
অভিবাসন ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখায় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন ইন্টারন্যাশনাল লেবার কাউন্সিলের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় রাষ্ট্রপতি তাকে ধন্যবাদ জানান।
আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন দেশে কর্মরত বাংলাদেশী অভিবাসীদের প্রতি তিনি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
এ বছর দেশে রেমিট্যান্স এ যাবত সর্বোচ্চ রেকর্ড ১ হাজার কোটি ডলার ছাড়িয়ে গেছে উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, আমরা প্রবাসী বাংলাদেশীদের জন্য সুযোগ সৃষ্টি করে দেব; যাতে তারা দেশে এই বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করতে পারেন।
ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, সরকার বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশী শ্রমিক সংখ্যা বাড়ানোর লক্ষ্যে দ্বিপক্ষীয় আলোচনাসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে।
তিনি বলেন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা সত্ত্বেও চলতি বছরে দেশে প্রবাসীদের পাঠানো বৈদেশিক মুদ্রা ১৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং এ সময় বিভিন্ন বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে বিদেশ গমনকারীদের সংখ্যা দাঁড়াবে ৫ লাখ।
ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজু বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশীরা যাতে তাদের স্বজনদের সঙ্গে সাশ্রয়ী মূল্যে কথা বলতে পারেন সে জন্য বর্তমান সরকার এরই মধ্যে ‘আন্তর্জাতিক ইনকামিং কলচার্জ’ চার সেন্ট থেকে কমিয়ে তিন সেন্ট করেছে এবং ‘আউটগোয়িং কলচার্জ’ কমানোর উদ্যোগ নিয়েছে।
তিনি বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশীরা যাতে তাদের কষ্টার্জিত অর্থ দ্রুত ও নিরাপদে দেশে পাঠাতে পারেন সে জন্য সরকার ই-পোস্ট ও ইলেকট্রনিক মানি ট্রান্সফার সিস্টেম চালু করার উদ্যোগ নিয়েছে।
তিনি বলেন, আমি আশা করি, সরকারের পাশাপাশি এ খাতের সঙ্গে জড়িত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবেন। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজু। শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয়ের সচিব ইলিয়াস আহমদও বক্তৃতা করেন। তথ্যমন্ত্রী আবুল কালাম আজাদ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচটি ইমাম এবং অন্যান্য মন্ত্রী, কূটনীতিক, উন্নয়ন অংশীদার ও বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে দেশের সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে বিদেশে চাকরির জন্য যেতে ইচ্ছুক শ্রমিকদের ‘দক্ষতা’ বৃদ্ধিতে আরও উদ্যোগ নেয়া প্রয়োজন।
তিনি বলেন, বিদেশে চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে দক্ষতা এবং যে দেশে যাবে সে দেশের ভাষা ও রীতিনীতি সম্পর্কিত ধারণা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
তিনি বলেন, বৈদেশিক কর্মসংস্থান খাত বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দা সত্ত্বেও দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে অভিবাসীদের অবদান অপরিসীম। তিনি বলেন, সম্প্রতি তাদের কষ্টার্জিত অর্থ বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভের এক নতুন ইতিহাস গড়েছে।
রাষ্ট্রপতি সরকারের ‘রূপকল্প ২০২১’ ঘোষণার কথা উল্লেখ করে বলেন, এই কর্মসূচি বাস্তবায়নে সফলতা পরিমাপের নির্দেশকসমূহের মধ্যে রয়েছে মানবসম্পদ উন্নয়ন।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার মানবসম্পদের যথাযথ উন্নয়নের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
অভিবাসন ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখায় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন ইন্টারন্যাশনাল লেবার কাউন্সিলের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় রাষ্ট্রপতি তাকে ধন্যবাদ জানান।
আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন দেশে কর্মরত বাংলাদেশী অভিবাসীদের প্রতি তিনি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
এ বছর দেশে রেমিট্যান্স এ যাবত সর্বোচ্চ রেকর্ড ১ হাজার কোটি ডলার ছাড়িয়ে গেছে উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, আমরা প্রবাসী বাংলাদেশীদের জন্য সুযোগ সৃষ্টি করে দেব; যাতে তারা দেশে এই বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করতে পারেন।
ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, সরকার বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশী শ্রমিক সংখ্যা বাড়ানোর লক্ষ্যে দ্বিপক্ষীয় আলোচনাসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে।
তিনি বলেন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা সত্ত্বেও চলতি বছরে দেশে প্রবাসীদের পাঠানো বৈদেশিক মুদ্রা ১৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং এ সময় বিভিন্ন বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে বিদেশ গমনকারীদের সংখ্যা দাঁড়াবে ৫ লাখ।
ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজু বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশীরা যাতে তাদের স্বজনদের সঙ্গে সাশ্রয়ী মূল্যে কথা বলতে পারেন সে জন্য বর্তমান সরকার এরই মধ্যে ‘আন্তর্জাতিক ইনকামিং কলচার্জ’ চার সেন্ট থেকে কমিয়ে তিন সেন্ট করেছে এবং ‘আউটগোয়িং কলচার্জ’ কমানোর উদ্যোগ নিয়েছে।
তিনি বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশীরা যাতে তাদের কষ্টার্জিত অর্থ দ্রুত ও নিরাপদে দেশে পাঠাতে পারেন সে জন্য সরকার ই-পোস্ট ও ইলেকট্রনিক মানি ট্রান্সফার সিস্টেম চালু করার উদ্যোগ নিয়েছে।
-
প্রথম পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া

