বাসাইল পশু হাসপাতালে ভেঙে পড়েছে চিকিত্সা ব্যবস্থা
বাসাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবহেলার কারণে বাসাইল উপজেলা পশুসম্পদ বিভাগের চিকিত্সা কার্যক্রম মুখ থুবড়ে পড়েছে। এ বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের স্বেচ্ছাচারিতার কারণে ব্যাহত হচ্ছে পশু চিকিত্সা। তারা সরকারি সব সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেও সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে। নিয়মিত ডাক্তার ও কর্মচারী না থাকার কারণে উপজেলা পশু হাসপাতালের পশু চিকিত্সা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। প্রতিদিন শত শত মানুষ তাদের পশুর চিকিত্সা না পেয়ে হতাশ হয়ে বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন।
অভিযোগ উঠেছে, যথাযথ চিকিত্সার অভাবে বিভিন্ন রোগে গত তিন মাসে উপজেলার প্রায় শতাধিক গবাদিপশু মারা গেছে।
উপজেলা পশুসম্পদ দফতর সূত্রে জানা যায়, মোট ১১ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর মধ্যে উপজেলা সহকারী পশুসম্পদ কর্মকর্তা ও এমএলএসএসের পদটি দীর্ঘদিন যাবত শূন্য পড়ে আছে। উপজেলা পশুসম্পদ কর্মকর্তা অসুস্থতার কারণে প্রায় দুই বছর যাবত অফিসে আসতে পারেন না। উপজেলা পশু হাসপাতালে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদ হচ্ছে ভেটেরিনারি ফিল্ড অ্যাসিস্ট্যান্টের পদ, যাদের কাজ হলো পুরো উপজেলায় সব ধরনের পশুর চিকিত্সা কার্যক্রম তদারকি করা।
এ পদে ৩ জন নিয়োজিত থাকলেও দুইজন দীর্ঘদিন যাবত অসুস্থ থাকায় অফিসে নিয়মিত আসতে পারেন না। অপরজনকে বছরের বিভিন্ন সময় কোনো না কোনো প্রশিক্ষণে বাসাইলের বাইরে থাকতে হয়। তারই ধারাবাহিকতায় তিনি এখন প্রশিক্ষণে ময়মনসিংহে আছেন বলে জানা যায়।
ফলে নিয়মিত কর্মকর্তা-কর্মচারীর যথাযথ উপস্থিতি না থাকার কারণে উপজেলার গবাদিপশুর চিকিত্সা কার্যক্রম মুখ থুবড়ে পড়েছে। এ প্রসঙ্গে বাসাইল পশুসম্পদ দফতরের ভেটেরিনারি সার্জন ডা. রৌশনী আক্তার বলেন, বাসাইলের সঙ্গে আরেকটি উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রও আমাদের চালাতে হয়। তাই প্রয়োজনীয় জনবলের অভাবে যথাযথ কার্যক্রম চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে।
অভিযোগ উঠেছে, যথাযথ চিকিত্সার অভাবে বিভিন্ন রোগে গত তিন মাসে উপজেলার প্রায় শতাধিক গবাদিপশু মারা গেছে।
উপজেলা পশুসম্পদ দফতর সূত্রে জানা যায়, মোট ১১ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর মধ্যে উপজেলা সহকারী পশুসম্পদ কর্মকর্তা ও এমএলএসএসের পদটি দীর্ঘদিন যাবত শূন্য পড়ে আছে। উপজেলা পশুসম্পদ কর্মকর্তা অসুস্থতার কারণে প্রায় দুই বছর যাবত অফিসে আসতে পারেন না। উপজেলা পশু হাসপাতালে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদ হচ্ছে ভেটেরিনারি ফিল্ড অ্যাসিস্ট্যান্টের পদ, যাদের কাজ হলো পুরো উপজেলায় সব ধরনের পশুর চিকিত্সা কার্যক্রম তদারকি করা।
এ পদে ৩ জন নিয়োজিত থাকলেও দুইজন দীর্ঘদিন যাবত অসুস্থ থাকায় অফিসে নিয়মিত আসতে পারেন না। অপরজনকে বছরের বিভিন্ন সময় কোনো না কোনো প্রশিক্ষণে বাসাইলের বাইরে থাকতে হয়। তারই ধারাবাহিকতায় তিনি এখন প্রশিক্ষণে ময়মনসিংহে আছেন বলে জানা যায়।
ফলে নিয়মিত কর্মকর্তা-কর্মচারীর যথাযথ উপস্থিতি না থাকার কারণে উপজেলার গবাদিপশুর চিকিত্সা কার্যক্রম মুখ থুবড়ে পড়েছে। এ প্রসঙ্গে বাসাইল পশুসম্পদ দফতরের ভেটেরিনারি সার্জন ডা. রৌশনী আক্তার বলেন, বাসাইলের সঙ্গে আরেকটি উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রও আমাদের চালাতে হয়। তাই প্রয়োজনীয় জনবলের অভাবে যথাযথ কার্যক্রম চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে।
-
জাতীয়


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


