চট্টগ্রাম-সন্দ্বীপ নৌপথে সরকারি লঞ্চ চলাচলে সন্ত্রাসীদের বাধা, যাত্রীদের দুর্ভোগ
চট্টগ্রাম ব্যুরো
ইজারাদারদের বাধায় চট্টগ্রাম-সন্দ্বীপ নৌপথে চলতে পারছে না ৩৫০ আসনবিশিষ্ট বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন সংস্থার (বিআইডব্লিউটিসি) একটি অত্যাধুনিক লঞ্চ। সরকারি লঞ্চ আটকে রেখে মালবাহী ট্রলারে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নদীতে চলাচল করতে যাত্রীদের বাধ্য করছে ঘাটের ইজারাদার ও সন্ত্রাসীরা।
জানা গেছে, মালবাহী ও ফিশিং ট্রলারে যাত্রী পরিবহন নৌ-পরিবহন আইনে সম্পূর্ণ অবৈধ। কিন্তু প্রশাসনের চোখের সামনে বিআইডাব্লিউটিসির যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচল বন্ধ করে ইজারাদাররা এ অবৈধ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এতে করে চট্টগ্রাম থেকে সন্দ্বীপ রুটে বিভিন্ন সময় ভয়াবহ ট্রলার দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে শতাধিক ব্যক্তি। এ ব্যাপারে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সন্দ্বীপ অ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তারা গত বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সন্দ্বীপ দেশের মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন একটি জনপদ। একমাত্র নদীপথেই সন্দ্বীপের জনসাধারণকে চট্টগ্রামে যাতায়াত করতে হয়। সন্দ্বীপের জনসাধারণের যাতায়াতের অন্যতম মাধ্যম হলো কুমিরা-গুপ্তছড়া স্টিমার সার্ভিস। যাত্রী পরিবহনের জন্য বিআইডাব্লিউটিসি এ রুটে দীর্ঘদিন একটি স্টিমার সার্ভিস পরিচালনা করে আসছে। কিন্তু কিছুদিন যাবত্ বিআইডাব্লিউটিসি স্টিমার নষ্ট থাকায় এ রুটে স্টিমার সার্ভিস বন্ধ ছিল। সন্দ্বীপ অ্যাসোসিয়েশন ও সন্দ্বীপবাসীর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বিআইডাব্লিউটিসি কর্তৃপক্ষ গত ঈদুল আজহার কিছু দিন আগে এ রুটের জন্য একটি সি-ট্রাক/স্টিমার প্রদান করে। কিন্তু জেলা পরিষদ এবং জেলা পরিষদে নিয়োজিত ইজারাদারদের বিআইডব্লিউটিসির স্টিমারটি চলাচলে বাধা প্রদান করছে। চালুর প্রথম দুদিন সি-ট্রাকটি সার্ভিস দিলেও ইজারাদাররা জাহাজটি চলাচল করতে দিচ্ছে না। এতে করে যাত্রীরা চরম হয়রানির স্বীকার হচ্ছেন। সন্দ্বীপের গুপ্তছড়া ঘাটে ১৬ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রায় দুই কিলোমিটার দীর্ঘ একটি জেটি নির্মাণ করছে নৌ-মন্ত্রণালয়। ঘাটের অপর প্রান্ত চট্টগ্রামের কুমিরায় ১২ কোটি টাকা ব্যয়ে আরেকটি জেটি নির্মাণের কাজও শুরু হবে শিগগিরই। কুমিরা গুপ্তছড়া রুটের জন্য ১৮ কোটি টাকা ব্যয়ে নতুন একটি জাহাজ তৈরির প্রস্তাবও আছে অনুমোদনের অপেক্ষায়। নিরাপদে যাত্রী পারাপার করতে সরকার ৪৬ কোটি টাকার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড শুরু করলেও ঘাট ইজারাদারদের দৌরাত্ম্যে ভেস্তে যেতে বসেছে সবই। জেলা পরিষদ থেকে ইজারা নেয়ার বিষয়টি সামনে এনে এ রুটে বিআইডাব্লিউটিসির জাহাজ চলাচলে বাধা দিচ্ছে ঘাট ইজারাদার। ভোলা ও কিশোরগঞ্জের মতো অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা এড়াতে ঈদের আগে এ রুটে ৩৫০ আসনবিশিষ্ট একটি লঞ্চ দিয়েছিল বিআইডাব্লিউটিসি। কিন্তু সরকারি এ জাহাজ আটকে রেখে যাত্রীদের মালবাহী ট্রলার দিয়ে খরস্রোতা নদী পারাপারে বাধ্য করছে ইজারাদাররা।
জানা গেছে, মালবাহী ও ফিশিং ট্রলারে যাত্রী পরিবহন নৌ-পরিবহন আইনে সম্পূর্ণ অবৈধ। কিন্তু প্রশাসনের চোখের সামনে বিআইডাব্লিউটিসির যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচল বন্ধ করে ইজারাদাররা এ অবৈধ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এতে করে চট্টগ্রাম থেকে সন্দ্বীপ রুটে বিভিন্ন সময় ভয়াবহ ট্রলার দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে শতাধিক ব্যক্তি। এ ব্যাপারে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সন্দ্বীপ অ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তারা গত বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সন্দ্বীপ দেশের মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন একটি জনপদ। একমাত্র নদীপথেই সন্দ্বীপের জনসাধারণকে চট্টগ্রামে যাতায়াত করতে হয়। সন্দ্বীপের জনসাধারণের যাতায়াতের অন্যতম মাধ্যম হলো কুমিরা-গুপ্তছড়া স্টিমার সার্ভিস। যাত্রী পরিবহনের জন্য বিআইডাব্লিউটিসি এ রুটে দীর্ঘদিন একটি স্টিমার সার্ভিস পরিচালনা করে আসছে। কিন্তু কিছুদিন যাবত্ বিআইডাব্লিউটিসি স্টিমার নষ্ট থাকায় এ রুটে স্টিমার সার্ভিস বন্ধ ছিল। সন্দ্বীপ অ্যাসোসিয়েশন ও সন্দ্বীপবাসীর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বিআইডাব্লিউটিসি কর্তৃপক্ষ গত ঈদুল আজহার কিছু দিন আগে এ রুটের জন্য একটি সি-ট্রাক/স্টিমার প্রদান করে। কিন্তু জেলা পরিষদ এবং জেলা পরিষদে নিয়োজিত ইজারাদারদের বিআইডব্লিউটিসির স্টিমারটি চলাচলে বাধা প্রদান করছে। চালুর প্রথম দুদিন সি-ট্রাকটি সার্ভিস দিলেও ইজারাদাররা জাহাজটি চলাচল করতে দিচ্ছে না। এতে করে যাত্রীরা চরম হয়রানির স্বীকার হচ্ছেন। সন্দ্বীপের গুপ্তছড়া ঘাটে ১৬ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রায় দুই কিলোমিটার দীর্ঘ একটি জেটি নির্মাণ করছে নৌ-মন্ত্রণালয়। ঘাটের অপর প্রান্ত চট্টগ্রামের কুমিরায় ১২ কোটি টাকা ব্যয়ে আরেকটি জেটি নির্মাণের কাজও শুরু হবে শিগগিরই। কুমিরা গুপ্তছড়া রুটের জন্য ১৮ কোটি টাকা ব্যয়ে নতুন একটি জাহাজ তৈরির প্রস্তাবও আছে অনুমোদনের অপেক্ষায়। নিরাপদে যাত্রী পারাপার করতে সরকার ৪৬ কোটি টাকার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড শুরু করলেও ঘাট ইজারাদারদের দৌরাত্ম্যে ভেস্তে যেতে বসেছে সবই। জেলা পরিষদ থেকে ইজারা নেয়ার বিষয়টি সামনে এনে এ রুটে বিআইডাব্লিউটিসির জাহাজ চলাচলে বাধা দিচ্ছে ঘাট ইজারাদার। ভোলা ও কিশোরগঞ্জের মতো অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা এড়াতে ঈদের আগে এ রুটে ৩৫০ আসনবিশিষ্ট একটি লঞ্চ দিয়েছিল বিআইডাব্লিউটিসি। কিন্তু সরকারি এ জাহাজ আটকে রেখে যাত্রীদের মালবাহী ট্রলার দিয়ে খরস্রোতা নদী পারাপারে বাধ্য করছে ইজারাদাররা।
-
জাতীয়


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


